Atal Pension Yojana: কেন্দ্রের পেনশন প্রকল্প, দেশের জনগণের জন্য নয়া সুবিধা! দেখুন

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

নিজস্ব প্রতিবেদন: সাধারণ মানুষকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রদান করার উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে বিভিন্ন ধরনের স্কিম (Atal Pension Yojana) চালু করা হয়েছে। এই স্কিম গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো অটল পেনশন যোজনা। অসংরক্ষিত ক্ষেত্রে কর্মতর মানুষরা তাদের অবসরের পর বৃদ্ধ বয়সে যাতে পেনশনের সুবিধা উপভোগ করতে পারেন সেই কারণেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।

Benefits of Atal Pension Yojana

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে ২০১৫ সালে এই অটল পেনশন যোজনা (Atal Pension Yojana) চালু করা হয়েছে। এটি এমন একটি পেনশন প্রকল্প যার মাধ্যমে দরিদ্র বা নিম্ন আয়ের মানুষরা একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে অর্থ বিনিয়োগ করার পর বৃদ্ধ বয়সে পেনশনের সুবিধা লাভ করেন। ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী মানুষ যারা নিজেদের উপার্জনের জন্য কোন আয়কর প্রদান করেন না, তারা এই স্কিমে বিনিয়োগ করার যোগ্য বলে চিহ্নিত হন।

এই স্কিমের অধীনে অর্থ বিনিয়োগকারী ব্যক্তি তার বিনিয়োগ করা অর্থের পরিমাণের উপর নির্ভর করে ১০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত পেনশন এর সুবিধা পেতে পারেন। যে কোনো ভারতীয় নাগরিক এই পেনশনের সুবিধা উপভোগ করার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন। অর্থ বিনিয়োগকারী ব্যক্তির ৬০ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পর তিনি এই প্রকল্প থেকে নিয়মিত পেনশনের সুবিধা লাভ করেন।

অটল পেনশন যোজনার আওতায় ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী ভারতীয় নাগরিকরা অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেন। এই স্কিমে (Atal Pension Yojana) বিনিয়োগ করা টাকার পরিমাণের উপর নির্ভর করে ১০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত মাসিক পেনশন পেতে পারেন সেই ব্যাক্তি। এক্ষেত্রে অর্থ বিনিয়োগের পরিমাণটিও খুব বেশি নয়। কোনো অর্থ বিনিয়োগকারী ব্যক্তি যদি যদি তার ১৮ বছর বয়সে প্রতি মাসে ৪২ টাকা করে বিনিয়োগ করেন।

পড়ুনঃ  Krishak Bandhu : রাজ্যের কৃষকরা পাবে বিনামূল্যে সেচযন্ত্র, আবেদন করুন!

তবে তিনি ৬০ বছর বয়সের পরে পেনশন হিসাবে ১০০০ টাকা পেনশনের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। কোনো ব্যক্তি একই বয়স থেকে মাসিক ৮৪ টাকা বিনিয়োগ করলে পেনশন পাবেন ২০০০ টাকা। ৩০০০ টাকা পেনশন পেতে ওই ব্যক্তিকে বিনিয়োগ করতে হবে ১২৬। ৪০০০ টাকা পেনশন পেতে চাইলে ওই একই সময় ধরে অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে ১৬৮ টাকা করে। এবং প্রতি মাসে ৫০০০ টাকা পেনশন পেতে মাসিক কিস্তিতে বিনিয়োগ করতে হবে ২১০ টাকা। মূলত এটি একটি বিনিয়োগ ভিত্তিক পেনশন স্কিম।

আরও দেখুন, রেশন কার্ডে নাম, জন্ম তারিখ, লিঙ্গ সংশোধন মাত্র ১ মিনিটে!

অর্থ বিনিয়োগকারী ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময় ধরে নিজের সমর্থ্য মত টাকা জমা করে ৬০ বছর বয়সের পর সেই স্কুল থেকে পেছনে সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। এই প্রকল্প অর্থ বিনিয়োগ করার পরও যদি অর্থ বিনিয়োগকারী ব্যক্তি ৬০ বছরের আগেই মৃত্যু হয় সে ক্ষেত্রে তার জীবনসঙ্গী এই পেনশনের সুবিধা পেতে থাকবেন। আবার এতে নমিনির সুবিধাও থাকে। যদি একজন ব্যক্তির স্বামী/স্ত্রীও মারা যান তবে নমিনি একসঙ্গে বড় তহবিলের সুবিধা পাবেন। এই প্রকল্পতে নাম নথিভুক্ত করার মাধ্যমে কিভাবে এর সুবিধা পাওয়া সম্ভব দেখে নিন।

অটল পেনশন যোজনার নানা সুবিধা

১) এই স্কিমের অধীনে অর্থ বিনিয়োগ করতে চাইলে যে কোনো ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের শাখায় গিয়ে এই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন।
২) এর জন্য প্রথমেই ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

৩) এর পর নিজের আধার নম্বর এবং মোবাইল নম্বর লিখে দিতে হবে।
৪) সবশেষে নিজের ব্যাঙ্কের বিবরণ জমা দিতে হবে। এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা স্বয়ংক্রিয় ভাবে সেই অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেওয়া হবে এবং তা অটল পেনশন যোজনা স্কিমে জমা হবে।

Amalendu Biswas

Leave a Comment

error: Content is protected !!